‘The Conjuring 2’ (2016) পর্ব ০১ :- The Enfield Poltergeist Case (1977-1979)
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

 

325848id1b_TheConjuring2_Main_Intl_UK_40x30_Quad_200.indd

 

 

 

সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে ‘দ্য কনজুরিং’ সিরিজের ২য় মুভি ‘জেমস ওয়ান’ পরিচালিত ‘দ্য কনজুরিং টু’। এই মুভির গল্প সাজানো হয়েছে ১৯ শতকের বিখ্যাত প্যারানরমাল ইনভেস্টিগেটর ‘ওয়ারেন’ দম্পতি ‘এড ওয়ারেন’ এবং ‘লরেন ওয়ারেন’ এর সত্যিকারের প্যারানরমাল কেস ‘এনফিল্ড পোল্টারগাইস্ট’ কেস অবলম্বনে ও পাশাপাশি এ মুভিতে দেখানো হয়েছে তাদেরই আরেকটি দুনিয়া কাঁপানো কেস ‘অ্যামিটিভিল’ এর রেফারেন্স। আজ ‘স্টার সিনেপ্লেক্স’ থেকে মুভিটি দেখে এসে ‘ওয়ারেন’ দম্পতির সেই বিখ্যাত ‘এনফিল্ড পোল্টারগাইস্ট’ কেস নিয়ে একটু স্ট্যাডিতে বসলাম, এটা দেখতে যে মুভিটি আসলেই কতটুকু সত্য ঘটনা অবলম্বনে তৈরী…

 

 

 

 

Levocazione-i-casi-di-Ed-e-Lorraine-Warren-e-il-loro-museo-dellocculto-51

Ed’ & ‘Lorraine Warren’

 

 

 

 

The True ‘Enfield Poltergeist’ Case:-

 

 

১৯৭৭ সালের আগস্টে ইংল্যান্ডের ‘এনফিল্ড’ এ ‘পেগি হজসন’ নামক এক মহিলা একটি ভাড়া বাড়িতে তার ৪ ছেলে-মেয়ে ‘মার্গারেট’ (১৩), ‘জ্যানেট’ (১১), ‘জনি’ (১০) ও ‘বিলি’ (৭) কে নিয়ে বসবাস করাকালীন এক রাতে ‘পেগি’ পুলিশে খবর দিয়ে অস্বাভাবিক ঘটনার অভিযোগ করে। পুলিশ আসলে তারা অভিযোগ করে যে, রূমের ফার্নিচার নাকি নিজে নিজে নড়াচড়া করছে ও ভয়ংকর ভয়ংকর সব আওয়াজ আসছে দেয়ালের ভিতর থেকে। পুলিশ বাড়ির ভিতরে তদন্ত করতে গেলে একজন কনস্টেবলের সামনেই একটি চেয়ার নড়ে উঠে জায়গা পরিবর্তন করে চলে যায় ও ভয়ংকর সব আওয়াজ হতে থাকে। পরবর্তীতে প্রতিদিন ঐ বাড়িতে ‘পেগি’ ফ্যামিলির সাথে নানান রকম প্যারানরমাল ঘটনা ঘটতে থাকে ও ‘পেগি’র মেয়ে ‘জ্যানেট’ এর উপর পজেশন ঘটে। এই ঘটনা মিডিয়ার মাধ্যমে জানাজানি হয়ে যাবার পর সারা দেশে আলোড়ন সৃষ্টি করে। অনেক সমালোচনাও শুরু হয় এই বলে যে গোটা বিষয়টাই আসলে ‘পেগি’ ও ‘জ্যানেট’ এর সাজানো ঘটনা।

 

 

 

 

 

crlnh

 

 

 

 

সেই সময় অনেকেই মিডিয়ায় ফেমাস হবার জন্য নিজে থেকেই এই ধরণের নকল প্যারানরমাল ঘটনা সাজিয়ে নিজেকে ভিক্টিম বলে দাবী করতো। সেই সময় এই সব ভিক্টিমদের সাহায্য করতে এক্সোরসিজম করতে গেলে চার্চের কাছে আগে অনুমতি নেয়া লাগতো এবং চার্চ তখনই অনুমতি দিত যখন আগে তদন্তকারীরা গিয়ে ঘটনাস্থল তদন্ত করে আসলেই প্যারানরমাল কোন কিছুর উপস্থিতি সম্পর্কে রিপোর্ট প্রদান করতো। মাঝে মাঝে চার্চকে প্রমাণ করে বোঝাতে গিয়েই অনেক দেরি হয়ে যেত। ‘এনফিল্ড’ ঘটনা ঘটার পর ‘Society for Psychical Research’ এর মেম্বার ‘মুরিস গ্রস’ ও ‘গায় লিয়ন প্লেফেয়ার’ সব কিছু দেখে ও ‘জ্যানেট’কে পরীক্ষা করে মতামত দেয় যে এটি কোন নকল ঘটনা নয়, এখানে আসলেই প্যারানরমাল কিছুর অস্তিত্ব আছে। তাদের সামনে ‘জ্যানেট’ এর পজেশন ঘটে ও তার মুখ থেকে বের হওয়া অন্য কন্ঠের ‘বিল উইল্কিন্স’ নামক এক অশরীরীর ভয়েজও রেকর্ডও করা হয়। এমনকি ‘জ্যানেট’ এর পজেশনের পর তার অস্বাভাবিক আচরনের ছবিও তুলে রাখা হয় যা এখনো ইন্টারনেটে পাওয়া যায়। কিন্তু সেই সময় অনেক সাংবাদিকরাই গোপন ক্যামেরা ও ‘জ্যানেট’ এর ইন্টারভিউ এর মাধ্যমে প্রমাণ করে যে ‘জ্যানেট’ এর উপর আসলে কোন পজেশন ঘটেনি, গোটা বিষয়টাই তার সাজানো নাটক। পরবর্তীতে এক সাক্ষাৎকারে ‘জ্যানেট’ এবং ‘মার্গারেট’ তাদের এই সাজানো নাটক সম্পর্কে কনফেস করে আর সাথে সাথে উপস্থিত ‘মুরিস গ্রস’ এবং ‘গায় লিয়ন প্লেফেয়ার’ তাদেরকে বাধ্য করে নিজেদের কনফেশন তুলে নেবার জন্য। এ ঘটনার পর তারা রিসার্চারদের কাছে হাসির পাত্রে পরিনত হয় খুব সহজেই ধোঁকায় পড়ার জন্য।

 

 

 

 

1430844911321

 

 

 

 

১৯৭৮ সালে ‘Society for Psychical Research’ এর রিসার্চার ‘রেনে হাইনস’ ক্যামব্রিজে Second International Society for Psychical Research (SPR) Conference এ এই কেসের সকল ভিডিও ক্যাসেট পরীক্ষা করে কোন ধরণের প্যারানরমাল উপস্থিতির অস্তিত্ব সম্পর্কে সন্দেহ প্রকাশ করেন পাশাপাশি ‘Society for Psychical Research’ এর ইনভেস্টিগেটর ‘আনিতা গ্রেগরি’ ইনভেস্টিগেশন করে একই তথ্য প্রদান করেন। এই ঘটনাটি ১৯৭৭ সালে থেকে ১৯৭৯ সাল ধরে ঘটেছিল। পরবর্তীতে ‘ওয়ারেন’ দম্পতি ১৯৭৮ সালে ‘এনফিল্ড’ এ যায় ঘটনার তদন্ত করতে। তারা মাত্র কয়েকদিন সেখানে থেকে খুবই ক্ষুদ্র সময়ের জন্য তদন্ত করে। সুতরাং এই কেসে আসলে ‘ওয়ারেন’ দম্পতির কোন ভুমিকাই ছিল না এবং এই কেসের অনেক আর্টিকেল ও রেফারেন্সে ‘ওয়ারেন’ দম্পতির কোন নামই উল্লেখ নেই। এদিকে এই কেসের অন্যতম প্রধাণ ইনভেস্টিগেটর ‘গায় লিয়ন প্লেফেয়ার’ ‘দ্য কনজুরিং টু’ রিলিজের কয়েক দিন আগে মিডিয়ায় বলেন যে, ‘ওয়ারেন’ দম্পতিকে আসলে এই কেস সমাধানের জন্য ডাকাই হয়নি। তারা নিজেরাই অনিমন্ত্রিতভাবে এসেছিল এবং মাত্র এক দিন সেখানে অবস্থান করেছিল, এমনকি ‘এড ওয়ারেন’ নাকি তাকে অফার করেছিল যে এই কেস থেকে সে ‘প্লেফেয়ার’কে অনেক টাকা কামাই করে দিতে পারবে। একটি রেডিও শোতে দেয়া ইন্টারভিউতে তিনি এ কথা গুলো বলেন। ইন্টারভিউটি ছিল…

 

 

‘Dave Schrader’: “Mr. Playfair, I’m sure you’re familiar with Ed and Lorraine Warren and their research and work. Have they ever worked along with the Society for Psychical Research?”

 

‘Guy Lyon Playfair’: “No. I bumped into Ed Warren once or twice, and Lorraine… and I got the impression that Ed Warren was, well.. (laughs) fill in your own expletive. I wasn’t impressed at all. Lorraine is still living, so I’ll refrain from commenting on her, but she was very… quite pleasant when I met her.

 

They did turn up once, I think, at Enfield, and all I can remember is Ed Warren telling me that he could make a lot of money for me out of it. So I thought, “well thats all I need to know from you” and I got myself out of his way as soon as I could. I said was not impressed. He didn’t spend… I don’t think he went there more than once. And I did read somewhere a transcript of a lengthy interview which he’s alleged to have with one of the girls – which they couldn’t remember giving him – and it was describing all sorts of marvelous wonders which I don’t think ever happened. I think he was a complete…um… well… (laughs)… fill in whatever word…”

 

‘Dave’: (laughs) “I understand. So you don’t feel that – and especially in the interactions you had with him – you don’t feel that maybe they had the best intentions when it came to the investigations of these cases?”

 

‘Guy’: “No, they just wanted to make money out of it.”

 

‘Dave’: “Okay. Did – have you heard, or in your research, have you come across any proof that Ed or Lorraine Warren had anything to do with consulting or being a part of this investigation?”

 

‘Guy’: “Certainly not. Nobody ever mentioned them. I mean, I don’t think anybody in the family had ever heard of him until he turned up. Uninvited. And uh..”

 

‘Dave’: “Oh, so just came out…”

 

‘Guy’: “He said who he was and he didn’t come again and we just sort of forgot about him.”

 

‘Dave’: “So he came out to the site uninvited, and just showed up to try and insert himself into the story, is what you maintain?”

 

‘Guy’: “Thats what I remember, yes.”

 

‘Dave’: “Okay, fascinating.”

 

‘Guy’: “It was quite brief. He was just one.. we had so many people coming and going. I mean I remember one day he did turn up. I think Lorraine was there as well – I’d also met them in Brazil. They sort of pop up all over the place. And it was just no big deal at all. I mean, I had a brief conversation with Ed at Enfield, and as I say, he was telling me how much money he’d help me make, and I politely declined his help, and I strained that that’s not what we exist for in the SPR, and that was the last time I saw him.”

 

 

 

 

lvclg

 

 

 

 

pssed

 

 

 

 

এদিকে এই কেস সম্পর্কে ‘এড ওয়ারেন’ এর বক্তব্য ছিল,

 
“…inhuman spirit phenomena were in progress. Now, you couldn’t record the dangerous, threatening atmosphere inside that little house. But you could film the levitations, teleportations, and dematerialisations of people and objects that were happening there – not to mention the many hundreds of hours of tape recordings made of these spirit voices speaking out loud in the rooms.”

 

 

 

a9d7d310b29c03741cc5808e3bf6e4a6

 

 

 

 

মূলত ‘এনফিল্ড’ কেসটি সর্বত্র একটি ধোঁকাবাজি হিসেবে পরিচিত হয়েছিল এবং অনেকেই এই বক্তব্য দ্বারা এটা প্রমাণ করার চেষ্টা করে যে ‘ওয়ারেন’ দম্পতিও আসলে ফ্রড। এদিকে ‘পেগি’ ফ্যামিলির দাবী ছিল যে এগুলো কোন সাজানো নাটক নয় বরং সব সত্য ঘটনা। ‘জ্যানেট’ এর ভাষ্য অনুযায়ী তার উপর ভর করা অশরীরীর নাম ছিল ৭২ বছর বয়সী ‘বিল উইল্কিন্স’ নামক এক বৃদ্ধ যে কিনা মারা যায় ব্রেন হ্যামারেজে আক্রান্ত থাকাকালীন ঐ বাড়িরই এক আর্ম চেয়ারে বসে থেকে। ‘বিল উইল্কিন্স’ সম্পর্কে এই তথ্য গুলো যে সত্য তা পরে ‘বিল’ এর ছেলে ‘টেরি’ কনফার্ম’ করে। ‘পেগি’ ফ্যামিলি দাবী করে যে তাদের বাড়ির সব প্যারানরমাল ঘটনার অবশেষে অবসান ঘটে যখন ১৯৭৮ সালে এক পাদ্রী তাদের বাড়িতে ভিসিট করতে আসে। তবুও নাকি মাঝে মাঝে ‘পেগি’ নানান রকম আওয়াজ শুনতে পেত এবং ‘পেগি’র মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তার ছোট ছেলে ‘বিল’ সেই বাড়িতেই ছিল, তার কথা অনুযায়ী সব সময় কে যেন তাদের উপর নজর রাখতো। সুতরাং এটা নিশ্চিত যে ‘এনফিল্ড’ রহস্য সমাধানে ‘ওয়ারেন’ দম্পতির কোনই অবদান নেই।

 

 

 

 

1280x720-FwV

 

 

 

 

অবশেষে যখন সবাই ‘এনফিল্ড’ কেসের কথা ভুলে গেল, মিডিয়াও আকর্ষন হারিয়ে ফেললো এবং আস্তে আস্তে আস্তে সময় পার হয়ে গেল। ‘জ্যানেট’ এর ১৬ বছর বয়সেই বিয়ে হয়ে গেল, তার ছোট ভাই ‘জনি’ ১৪ বছর বয়সে ক্যান্সারে মারা গেল এবং মায়ের মৃত্যুর পর ‘বিলি’ এই বাড়ি ছেড়ে অন্য কোথাও শিপ্ট হয়ে গেল। ‘দ্য কনজুরিং টু’ রিলিজের সময় এখন ‘জ্যানেট’ এর বয়স ৪৬। তার ছেলে ১৮ বছর বয়সে ঘুমের মধ্যে মারা গেছে। ‘জ্যানেট’ কে প্রশ্ন করা হলে সে বলে যে, সে কখনই এই ‘এনফিল্ড’ কেস নিয়ে কথা বলতে চাইতো না কারণ এতে তার পুরনো দিনের কষ্টের স্মৃতি গুলো মনে পড়ে যেত, তবে এখন সে প্রস্তুত তার গল্প বলার জন্য।

 

 

 

 

ldrct

The real ‘Janet Hodgson’ during a 2016 interview about the ‘Enfield Poltergeist’

 

 

 

 

এই ছিল ১৯ শতকের বিখ্যাত ‘এনফিল্ড পোল্টারগাইস্ট’ কেসের সত্য ইতিহাস যার কিছু প্রমাণ ও রেফারেন্সঃ-

 

‘জ্যানেট’ এর উপর অশরীরী ‘বিল উইল্কিন্স’ এর পজেশনের সময় তার রেকর্ড কৃত ভয়েজঃ-

https://www.youtube.com/watch?v=_OWgImgIRic

 

‘এনফিল্ড পোল্টারগাইস্ট’ কেসের ছবি ও তথ্যঃ-

 

https://en.wikipedia.org/wiki/Enfield_Poltergeist

http://www.telegraph.co.uk/…/the-conjuring-2-what-really-h…/

http://www.historyvshollywood.com/…/conjuring-2-enfield-po…/

http://www.dailymail.co.uk/…/Enfield-Poltergeist-The-amazin…

http://weekinweird.com/…/conjuring-truth-original-enfield-…/

 

 

 

To Be Continued… !!!

The Conjuring 2 (2016)
The Conjuring 2 poster Rating: 8.0/10 (33,330 votes)
Director: James Wan
Writer: Carey Hayes (screenplay), Chad Hayes (screenplay), James Wan (screenplay), David Leslie Johnson (screenplay), Carey Hayes (story), Chad Hayes (story), James Wan (story)
Stars: Patrick Wilson, Vera Farmiga, Madison Wolfe, Frances O'Connor
Runtime: 134 min
Rated: R
Genre: Horror, Mystery, Thriller
Released: 10 Jun 2016
Plot: Lorraine and Ed Warren travel to north London to help a single mother raising four children alone in a house plagued by malicious spirits.

এই পোস্টটিতে ৯ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. Ei series er 2 ta movie e best horror movie like any other…

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন