‘জেসন বর্ন’ সিরিজ পর্ব ০২ (‘দ্য বর্ন লিগাসী’ এবং সিরিজের ভবিষ্যত… !!!)
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

2012_the_bourne_legacy_movie-wide

 

 

 

(প্রথম পর্বের পর থেকে…)
‘জেমস বন্ড’ সিরিজের পর এই ‘জেসন বর্ন’ আমার কাছে অনেক প্রিয় একটি সিরিজ। রকেটের স্পিডের থেকেও দ্রুত গতির গল্প, টান টান উত্তেজনা, দুঃসাহসীক অ্যাকশন স্ট্যান্ট সব মিলিয়ে যখন ‘বর্ন’ মুভি দেখতে বসি তখন মনে হয় আমি নিজেই ‘জেসন বর্ন’। দুনিয়ার কোন দিকেই তখন আর মন থাকে না। এর জন্য অনেকটা ক্রেডিট ‘ম্যাট ডেমন’ এবং ডিরেক্টর ‘পল গ্রিনগ্রাস’ এর। ‘ম্যাট ডেমন’ এমন ভাবে ‘জেসন বর্ন’ কে ফুটিয়ে তুলেছে যে তাকে ছাড়া আর কাউকেই এই চরিত্রে কল্পনাও করা যায় না। আমার মনে হয় সে যদি ‘জেমস বন্ড’ চরিত্রটিও করতো তবে সিরিজের সব থেকে সেরা ‘বন্ড’ হতে পারতো সে। ‘বন্ড’ হবার সব যোগ্যতাও তার আছে। আর ‘পল গ্রিনগ্রাস’ যেভাবে প্রতিটি বর্ন মুভি বানিয়েছে যে একটি সিন মিস দিলেই আবার শুরু থেকে দেখার জন্য বসতে হবে। এক সেকেন্ডের জন্য মনে হবে না যে এই সিনটি বোরিং। গোটা মুভি যদি শুধু বকবক দিয়ে ভরা থাকে তবুও যে টান টান উত্তেজনা পাওয়া যাবে তা কোন হাই অ্যাকশন মুভি দেখেও পাওয়া যাবে না। এখন আমরা যে ‘ড্যানিয়েল ক্রেগ’ এর ‘জেমস বন্ড’ মুভি দেখি তা অনেকটাই এই ‘বর্ন’ সিরিজ থেকে অনুপ্রানিত হয়ে বানানো। বিশেষ করে অ্যাকশন গুলো। কারন এই ‘বর্ন’ সিরিজের অ্যাকশন ডিরেক্টর ‘ড্যান ব্র্যাডলি’ এখন কাজ করে বন্ড মুভিতে (‘ক্যাসিনো রয়্যাল’, ‘কোয়ান্টাম অফ সোলেস’, ‘স্কাইফল’)। তাই কেউ মানুক বা না মানুক ‘জেসন বর্ন’ কে আমি সব সময় গল্প, অ্যাকশন, সাসপেন্স ও থ্রিলের দিক থেকে ‘জেমস বন্ড’ এর উপরে রাখবো।

 

 

 

6941526-the-bourne-legacy-wallpaper

 

 

 

‘দ্য বর্ন লিগাসী’ (২০১২)

 

 

‘দ্য বর্ন আল্টিমেটাম’ দেখার পর অনেক আগ্রহ নিয়ে বসে ছিলাম পরের পর্ব ‘দ্য বর্ন লিগ্যাসী’ এর জন্য। কিন্তু ২০০৭ সালে ‘দ্য বর্ন আল্টিমেটাম’ রিলিজের পূর্বেই ‘ম্যাট ডেমন ঘোষনা দেয় যে সে আর ‘জেসন বর্ন’ হিসেবে ফিরে আসতে আগ্রহী নয়। ‘ম্যাট ডেমন’ এর ভাষ্যমতে,

 

 

 

“I think in terms of another one, the story of this guy’s search for his identity is over, because he’s got all the answers, so there’s no way we can trot out the same character, and so much of what makes him interesting is that internal struggle that was happening for him, am I a good guy, am I a bad guy, what is the secret behind my identity, what am I blocking out, why am I remembering these disturbing images? So all of that internal propulsive mechanism that drives the character is not there, so if there was to be another one then it would have to be a complete reconfiguration, you know, where do you go from there? For me I kind of feel like the story that we set out to tell is has now been told. I love the character, and if ‘Paul Greengrass’ calls me in ten years and says, ‘Now we can do it, because it’s been ten years and I have a way to bring him back,’ then there’s a world in which I can go, ‘Yeah, absolutely.’ We could get the band back together if there was a great idea behind it, but in terms of now and this story, that part—the story’s been told…”

 

 

 

পরবর্তীতে ২২ ফেব্রুয়ারী ২০০৮ সালে ‘ভ্যারাইটি’ প্রকাশ করে যে, ‘বর্ন’ সিরিজের ৪র্থ মুভির কাজ শুরু হয়েছে ‘ম্যাট ডেমন’ ও ‘পল গ্রিনগ্রাস’কে সাথে নিয়েই। কিন্তু একই বছরের ডিসেম্বরে ‘পল গিনগ্রাস’ ঘোষনা দেয় যে, সে আর ৪র্থ পর্বে পরিচালনার দ্বায়িত্বে ফিরে আসছে না। যার ফলে ১০ মার্চ ২০১০ সালে ‘ম্যাট ডেমন’ও ঘোষনা দেয় যে, ‘পল গ্রিনগ্রাস’ ‘জেসন বর্ন’ সিরিজ থেকে সরে যাওয়ায় সেও এ সিরিজ থেকে অব্যহতি নিচ্ছে। অবশেষে, ২০১০ এর জুনে অফিসিয়ালী ঘোষনা হয় যে, ‘পল’ ও ‘ম্যাট’ কে বাদ দিয়েই ‘দ্য বর্ন লিগাসী’র কাজ শুরু হচ্ছে এবং পরিচালনার দ্বায়িত্বে থাকছে প্রথম ৩ পর্বের কো-স্ক্রিনরাইটার ‘টনি গিলরয়’ এবং ‘দ্য বর্ন লিগাসী’ মূলত কোন রিবুট নয় বরং ‘দ্য বর্ন আল্টিমেটাম’ এর পটভুমীতে নির্মিত একই সময়ে সংঘটিত অন্য এক ষড়যন্ত্রের গল্প, যার নায়ক ‘জেসন বর্ন’ নয়, তবে গোটা মুভিতে ‘জেসন বর্ন’ এর পরোক্ষ উপস্থিতি বিদ্যমান। ‘দ্য বর্ন লিগাসী’ নামটি নেয়া হয়েছে সিরিজের মূল লেখক ‘রবার্ট লুডলাম’ এর মৃত্যুর পর সিরিজের হাল ধরা নতুন লেখক ‘এরিক ভ্যান লুস্টবেডার’ এর লেখা তার বর্ন সিরিজের প্রথম বই ‘দ্য বর্ন লিগাসী’ থেকে। তবে মুভির গল্পের সাথে বইয়ের গল্পের কোন রূপ সম্পর্ক নেই শুধু নামটাই ধার নেয়া।

 

 

 

আমি যখন প্রথম শুনলাম যে ‘ম্যাট’ এবং ‘পল’ দুজনেই এ পর্ব থেকে সরে গেছে, তখন চরম হতাশ হয়ে ছিলাম। পরে শুনলাম ‘ম্যাট’ এর বদলে নেয়া হয়েছে ‘জেরেমি রেনার’ কে। তখনো আমি ‘জেরেমি রেনার’ কে চিনতাম না। পরে যখন ‘দ্য হার্ট লকার’, ‘মিশন ইম্পসিবল-ঘোস্ট প্রটোকল’ এবং ‘দ্য অ্যাভেঞ্জারস’ দেখলাম ততদিনে আমি ‘জেরেমি রেনার’ এর রীতিমত ফ্যান হয়ে গেছি। তার চেহারা, এক্সপ্রেশন, অভিনয় এক কথায় বলিষ্ঠ ও অসাধারণ। আমার মতে সে ‘জেমস বন্ড’ চরিত্রের জন্যও পারফেক্ট হবে। আমি ভেবেছিলাম ‘বন্ড’ মুভির মত এখানেও নায়ক চেঞ্জ হয়ে গেছে, মানে এখন থেকে ‘জেরেমি’ করবে ‘জেসন বর্ন’ চরিত্রটি। শুরুতে খুশি হলেও পরে যখন জানলাম যে ‘দ্য বর্ন লিগাসী’ সম্পুর্ণ অন্য গল্প নিয়ে তৈরী হচ্ছে তখন আবার হতাশ হলাম। এ মুভির গল্প এক ‘ব্ল্যাক অপ্স’ আউটকাম এজেন্ট ‘অ্যারন ক্রস’ এর সারভাইবল অ্যাডভেঞ্জার নিয়ে, যা ঘটেছিল ‘দ্য বর্ন আল্টিমেটাম’ এর সময়ে। প্রথম ৩টি মুভির গল্পের সাথে তুলনা করলে এ মুভির গল্প ও প্লট মোটেও শক্তিশালী ছিল না, বরং এটি ‘বর্ন’ সিরিজের সব থেকে দুর্বল মুভি। এত সস্তা গল্পকে কখনই ‘বর্ন’ সিরিজে আশা করা যায় না এবং এ মুভিকে একটি একক স্ট্যান্ড অ্যালোন স্পাই থ্রিলার মুভি হিসেবে মেনে নিয়ে এঞ্জয় করা যায় কিন্তু ‘বর্ন’ সিক্যুয়াল হিসেবে কখনোই মেনে নেয়া যায় না। গল্পে মো্টেও সাসপেন্স ছিল না। দর্শককে পর্দায় আটকে রাখার মত যথেষ্ট উপাদান ছিল অনুপস্থিত। আমার কাছে চরম বোরিং লেগেছে। এখন আসা যাক মুভির অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বিষয়ে। ‘এডোয়ার্ড নরটন’ বেশ ভাল অভিনয় করলেও তার চরিত্রটিকে খুব ভাল মত প্রকাশ করা হয়নি এবং মুভির প্রধান ভিলেন হিসেবে তাকে যথেষ্ট সময় ও সুযোগ দেয়া উচিত ছিল নিজেকে মেলে ধরার জন্য। ‘র‍্যাচেল ভায়েজ’ কে খুব ভাল লেগেছে। গ্ল্যামার ও অভিনয় দুটি দিকেই সে এই মুভিতে সমান পারদর্শী ছিল। আমার আফসোস এর আগের পর্বগুলোতেও যদি সে থাকতো ! ‘জেরেমি রেনার’ ‘অ্যারন ক্রস’ চরিত্রে নতুন হিসেবে খুব ভাল করেছে। সে এই মুভিতেই অভিনয় ও অ্যাকশন দিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে তাকে ‘জেসন বর্ন’ চরিত্রে রিপ্লেসমেন্ট করলেও সে ফাটিয়ে দিতে পারতো। শুধু মাত্র ‘জেরেমি’র সিন গুলোই এঞ্জয় করেছি আমি, বাকি অংশ দেখে জাস্ট ঘুম আসছে আমার। বকবক সিন গুলোতে যে কি হচ্ছিলো তার মাথা মুন্ডু কিছুই বোঝা যায়নি। এ মুভির একমাত্র পজিটিভ দিক হল ‘জেরেমি রেনার’ এবং হাতে গোনা কিছু দুর্দান্ত অ্যাকশন সিন (বিশেষ করে শেষ বাইক অ্যাকশন সিন)।

 

 

 

তবে ‘জেসন বর্ন’ সিরিজের একটি বিষয় খুবই বিরক্তিকর যে সিরিজের সব গুলো মুভি একই স্টোরি ফরম্যাটে বানানো। নায়ক মোস্ট ওয়ান্টেড হয়ে যাবে, হঠাৎ করে নায়িকার সাথে দেখা হবে এবং নায়িকা নায়কের হেল্প করতে গিয়ে নিজেই মোস্ট ওয়ান্টেড হয়ে যাবে, দুজনে মিলে পালিয়ে বেড়াবে এবং শেষে নায়ক ও নায়িকাকে মারার জন্য এক কিলারকে পাঠানো হবে। এই একই গল্প ‘আইডেন্টিটি’ ও ‘আল্টিমেটাম’ এও আছে। একমাত্র ‘সুপ্রিমেসী’ ব্যতিক্রম। আবার ‘লিগ্যাসী’তেও ঘুরিয়ে ফিরিয়ে সেই একই গল্পের পুনরাবৃত্তি দেখানো হয়েছে। যেহেতু ‘লিগ্যাসী’ সম্পুর্ণ নতুন গল্প নিয়ে বানানো, তাই মেকারদের উচিত ছিল একটু মৌলিকতা দেখানো। এখানেও তারা হতাশ করেছে। সব মিলিয়ে ‘দ্য বর্ন লিগ্যাসী’ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত শুধু মাত্র হতাশায় পরিপুর্ণ। অবশেষে, মুভির শেষ সিনে ‘বর্ন’ সিরিজের থিম সংটা শুনে একটু নস্টালজিক হয়ে পড়লাম। শুধু একটিই আফসোস, এ মুভিতে ‘ম্যাট’ নেই এটা খুব একটা প্রবলেম না, ‘জেরেমি’কে দিয়েই চলতো কিন্তু মুভিটি যদি ‘পল গ্রিনগ্রাস’ ডিরেক্ট করতো তবে এমন বোরিং এবং থ্রিল ও সাসপেন্সহীন লাগতো না, অরজিনাল ‘বর্ন’ মুভির স্বাদই পাওয়া যেত। অবশেষে, সমালোচকদের কাছ থেকে মিশ্র রিভিউ পাওয়া ১২৫ মিলিয়ন বাজেটের ‘দ্য বর্ন লিগাসী’ ডমেস্টিক বক্স অফিসে (উত্তর আমেরিকা) আয় করে ১১৩ মিলিয়ন এবং গোটা বিশ্বে আয় করে ২৭৬ মিলিয়ন।

 

 

 

screen-shot-2015-09-08-at-5-52-19-pm

 

 

 

‘আনটাইটেল্ড বর্ন ফাইভ’ (২০১৬)

 

 

‘দ্য বর্ন লিগাসী’ যেমনই হোক না কেন, মেকাররা চেয়েছিল ‘অ্যারন ক্রস’ এর গল্পকে সিক্যুয়াল দ্বারা আরো সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে। এদিকে ২০১২ সালের ডিসেম্বরে এক ইন্টারভিউতে ‘ম্যাট ডেমন’ প্রকাশ করে যে, সে এবং ‘পল গিনগ্রাস’ পুনরায় ‘বর্ন’ সিরিজে ফিরে আসতে আগ্রহী। ‘ম্যাট’ এর ভাষ্যমতে সে তখনও ‘দ্য বর্ন লিগাসী’ দেখেনি কিন্তু সে এ মুভির ‘জেরেমি রেনার’ এর যতটুকু সিন দেখেছে তাতে সে যথেষ্ট এঞ্জয় করেছে যার কারণে সে আবার এই সিরিজে ফিরে আসতে চায়। অতঃপর বার বার সিদ্ধান্ত বদলানোর পর ২ ডিসেম্বর ২০১৩ তে ঘোষনা হয় যে ‘ম্যাট’ ও ‘পল’ কেউ ফিরে আসবে না, ‘জেরেমি রেনার’ এর ‘অ্যারন ক্রস’ চরিত্রকে নিয়েই ৫ম পর্ব তৈরী হবে এবং এ পর্ব পরিচালনা করবে ‘ফাস্ট এন্ড ফিউরিয়াস’ সিরিজ খ্যাত ‘জাস্টিন লিন’ যা রিলিজ পাবে ১৪ আগস্ট ২০১৪। পরবর্তীতে আবারো সিদ্ধান্তের রদবদল, রিলিজ ডেট পেছানো সব মিলিয়ে জল আরো ঘোলাটে হতে থাকে। অতঃপর ২০১৪ এর নভেম্বরে ‘ম্যাট ডেমন’ কনফার্ম করে যে, সে এবং ‘পল গ্রিনগ্রাস’ আসলেই ফিরে আসছে ‘জেসন বর্ন’ সিরিজে। অবশেষে, সকল জল্পনা-কল্পনা ও সন্দেহের অবসান ঘটে যখন সিরিজের প্রডিউসার ‘ফ্রাঙ্ক মার্শাল’ এ বছরের ৯ সেপ্টেম্বর তার টুইটার অ্যাকাউন্টে ৫ম ‘বর্ন’ মুভির শ্যুটিং এর প্রথম দিনে ‘ম্যাট ডেমন’ এর একটি ছবি তুলে পোস্ট করেন এবং লেখেন…
“First day of principal photography complete and happy to report, BOURNE is back! #Bourne2016”
এই টুইট ও ‘জেসন বর্ন’ রূপে প্রায় ৯ বছর পর ‘ম্যাট ডেমন’কে পুরাই মারদাঙ্গা ফিগার ও হার্ড হিটিং লুকে দেখে গোটা বিশ্ব এখন নড়ে চড়ে বসেছে। সবার অপেক্ষা এখন ২০১৬ সালের প্রতি।

 

 

 

julia-stiles-4389-1680x1050

 

 

 

alicia-vikander-ft1

 

 

 

in-the-electric-mist-tavernier-lee-jones

 

 

 

Vincent_Cassel_le_moine

 

 

 

‘জেসন বর্ন’ ভক্তদের জন্য সব থেকে বড় সারপ্রাইজ হচ্ছে ‘ম্যাট ডেমন’ এ মুভিতে অভিনয়ের পাশাপাশি ‘পল গ্রিনগ্রাস’ ও ‘ক্রিস্টোফার রউস’ এর সাথে মিলে এ মুভির চিত্রনাট্য লিখেছে এবং যৌথ ভাবে ‘ফ্রাঙ্ক মার্শাল’ ও ‘পল গ্রিনগ্রাস’ এর সাথে মিলে এ মুভি প্রযোজনাও করেছে। আর এবারের ৫ম পর্বে শুধু মাত্র ‘ম্যাট ডেমন’ ও ‘পল গ্রিনগ্রাস’ই ফিরে আসছে না, ফিরে আসছে প্রথম ৩ পর্বের আরো একটি গুরুত্বপুর্ণ চরিত্র ‘নিকি পারসন্স’, যে চরিত্রে অভিনয় করেছে সুন্দরী অভিনেত্রী ‘জুলিয়া স্টাইলিস’। সেই সাথে মুভিতে নতুন চরিত্র হিসেবে যোগ দিতে যাচ্ছে ‘অ্যালিসিয়া ভিকান্দের’ (‘A Royal Affair’, ‘Anna Karenina’, ‘The Fifth Estate’, ‘Seventh Son’, ‘Ex Machina’, ‘The Man from U.N.C.L.E’, ‘The Danish Girl’) এবং ‘টমি লি জোন্স’। ‘টমি লি জোন্স’ এ মুভিতে থাকছে CIA এর উর্ধতন অফিসার হিসেবে। সেই সাথে এবারের পর্বের মুভির ভিলেন চরিত্রে আছে ফরাসী অভিনেতা ‘ভিনসেন্ট ক্যাসেল’ (‘Ocean’s Thirteen’, ‘Eastern Promises’, ‘Black Swan’, ‘Child 44’)। এখানে সে এক অ্যাসাসিনের (গুপ্তঘাতক) ভুমিকায় থাকবে, যাকে পাঠানো হবে ‘বর্ন’কে ট্রাক করে হত্যা করার জন্য (আবারো চিরাচরিত সেই কিলার থিউরী)। আর এ পর্বে ‘বর্ন’কে দেখানো হবে পোস্ট স্নোডেন ওয়ার্ল্ডে। যাই হোক, আপাতত এখনো মুভির নাম ঠিক হয়নি। তবে মুভির নাম যদি গত ৪টি মুভির মত বই থেকে নেয়া হয়, তবে ‘জেসন বর্ন’ সিরিজের ৫ম পর্বের নাম হতে যাচ্ছে ‘দ্য বর্ন বিট্রেয়াল’। এখন শুধু অপেক্ষা ২০১৬ সালের ২৯ জুলাই। অবশেষে, প্রায় ৯ বছর পর আবার ‘ম্যাট ডেমন’ ফিরে আসছে সেই ভয়ংকর গুপ্তঘতক ‘জেসন বর্ন’ রূপে। সব মিলিয়ে ২০১৬ সালটা আসলেই অনেক লাকি আমাদের মত মুভি লাভারসদের জন্য… !!!

 

 

 

(The End)

The Bourne Legacy (2012)
The Bourne Legacy poster Rating: 6.7/10 (209,943 votes)
Director: Tony Gilroy
Writer: Tony Gilroy (screenplay), Dan Gilroy (screenplay), Tony Gilroy (story)
Stars: Jeremy Renner, Scott Glenn, Stacy Keach, Edward Norton
Runtime: 135 min
Rated: PG-13
Genre: Action, Adventure, Mystery
Released: 10 Aug 2012
Plot: An expansion of the universe from Robert Ludlum's novels, centered on a new hero whose stakes have been triggered by the events of the previous three films.

এই পোস্টটিতে ১১ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. Hâssâñ says:

    ম্যাট ডিমনের অভিনিত তিনটি ঈ দেখা তবে বাকি একটা দেখিনি ইচ্ছে করেই, আর সত্যি কথা বলতে কেমস বন্ড এর থেকে জেসন বর্ন ক্যারেকটার টা আমার কাছে বেশি ভাল লাগে,,,, এটিটিউড অন্য লেভেলের 😀

  2. চমৎকার একটি পোস্ট, সাথে একটি তথ্য, আপকামিং পর্বটির লেখক হিসেবেও আছেন ম্যাট ডেমন।

  3. Rudraw Xd says:

    সবগুলো দেখেছি। দূর্দান্ত 😀

  4. Right now I’m reading the new book of Bourne series and it’s amazing.

  5. 3ta movie e dekche tobe Matt Damon er kaj besi valo lage…

  6. Mark Ark says:

    প্রতিদিন মাত্র ৫মিনিট কাজ করে ৫০০জিবি হার্ডডিস্ক,
    ১৬ জিবি পেনড্রাইভ সহ আকর্ষনীয় সব
    ইলেকট্রনিক গেজেট ফ্রিতে নিন!!! (হাতে
    পাওয়া প্রমান সহ)

    আজ আপনাদের একটি চমৎকার সাইটের
    ঠিকানা জানাবোঃ

    বিশ্বাস নাহলে ফ্রি সাইন আপ করে নিজেই দেখুনঃ
    http://gokano.com/ref/VjlicPuy

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন