“মার্ভেল ইউনিভার্স To অ্যাভেঞ্জার্স অ্যাসেম্বল” পর্ব ২

 avengers-movie-logo-wallpaper-4

দ্য অ্যাভেঞ্জার্স” (২০১২)

অবশেষে যে যাত্রার সূচনা হয়েছিল ২০০৮ সালেআয়রন ম্যানএর দ্বারা, তার সফল পরিসমাপ্তী ঘটলো ২০১২ তে এসেদ্য অ্যাভেঞ্জার্সমুক্তির মাধ্যমেআয়রন ম্যান“, “হাল্ক“, “থরএবংক্যাপ্টেন আমেরিকাএর এক অসাধারণ কম্বিনেশন দেখানো হয়েছে এতে এই ৪টি চরিত্র একে অন্যের থেকে সম্পূর্ণ আলাদা একজন যে তার রাগকে কন্ট্রোল করতে পারে না, পরেরজন যে হল জেদী, একরোখা বেপরোয়া, আরেকজন যার মাঝে কখনো কোন সিরিয়াসনেস দেখা যায় না, সব কিছু হাল্কা ভাবে নিতে সে পছন্দ করে আর ৪র্থ ব্যক্তি সব সময় থাকে ন্যায়নীতি আদর্শ নিয়ে কিভাবে হবে এদের দ্বারা একটা সফল টিম ? মুভির একটি বড় অংশ জুড়ে এরা শুধু নিজেদের মধ্যেই ঝগড়া মারামারি করে গেছে এবং অবশেষে মুভির শেষ দিকে এসে তবে এরা টিম হয়ে লড়াই করেছে টেকনিক্যালি মুভিকেথরক্যাপ্টেন আমেরিকাএর সিক্যুয়াল হিসেবে ধরা যায় মুভির ভিলেন আমাদের অতি পরিচিতথরএর সৎ ভাইলোকিযে কিনা এবারটেসেরাক্টএর দ্বারাচিটুয়ারিনামক এক বর্বর অ্যালিয়েন সভ্যতার সাহায্যে পৃথিবীতে আক্রমণ চালায়আয়রন ম্যান এবংথরএর ইন্ট্রোডিউসিং চরিত্রব্ল্যাক উইডো/নাতাশা রোমানফহ্কআই/ক্লিন্ট বার্টন মুভির খুব বড় দুটি গুরুত্তপূর্ণ রোল প্লে করেছে, যদিও মুভির অর্ধেকেরও বেশী অংশেহকআইছিল ভিলেন রোল যাই হোক, মুভিতে আরো একটি চরিত্রের অভিষেক ঘটলো, “মারিয়া হিল“, “শিল্ডএর একজন সদস্য যে কিনানিক ফিউরিএর সাথে খুব ক্লোসলি কাজ করে চরিত্রে অভিনয় করেছেকবি স্মাল্ডারস আর বরাবরের মতনিক ফিউরিতো আছেইপেপার পটসচরিত্রে অল্প সময়ের জন্যগোয়েনেথ প্যালট্রোকে দেখেও খুব ভাল লেগেছেথরএর আরেক চরিত্র. এরিক সেলভিগকেও এখানে পাওয়া যাবে তবেহকআইএর মত একটু নড়বড়ে পজিশনে তবে যে চরিত্রটি সব থেকে মন কেড়েছে, সে হলফিল কলসন এই রোবোটিক, হ্যান্ডসাম কোল্ড হেডেডশিল্ডএজেন্টের চরিত্রে অসাধারণ অভিনয় করেছেক্লার্ক গ্রেগআয়রন ম্যান“, “আয়রন ম্যান থর খুব অল্প সহজসরল চরিত্র প্লে করলেও মুভিতে তার চরিত্রটি ছিল খুব ইন্সপায়ারিং হিরোয়েটিক কিন্তু তার সাহসিকতার সাথে মৃত্যু বরণ আসলেই মনটা খারাপ করে দেয় তার চরিত্রটা এত জলদি শেষ করে দেয়া উচিত হয়নি তবে আপনারা যারা সত্যিই এই চরিত্রটির ভক্ত আছেন তারা “ABC” এর টিভি সিরিজ “Marvel’s Agents of S.H.I.E.L.D” দেখতে পারেন এখানে আপনারা আবারফিল কলসনকে ফিরে পাবেন তবে এই সুপার হিরোর মধ্যে যে যেমনি অভিনয় করুক না কেন, মূল কেন্দ্রবিন্দু ছিলস্টিভ রজারস/ক্যাপ্টেন আমেরিকা ব্যক্তিগত ভাবে আমারক্রিস ইভান্সকেই বেশী এনারজেটিক, ন্যাচারাল দুর্দান্ত লেগেছে নতুনহাল্কহিসেবেমার্ক রুফালোখুব ভাল ছিল কিন্তুদ্য ইনক্রেডিবল হাল্কএর বডি ইমেজের সাথেদ্য অ্যাভেঞ্জারসএরহাল্কএর তুলনা করে বেশ হতাশ হয়েছি এইহাল্কআমার কাছে একটু হাস্যকর লেগেছেদ্য ইনক্রেডিবল হাল্কএর মত ভয়ংকর বিধ্বংসী লাগেনিক্রিস হেমসওর্থতার চরিত্রে ঠিক ছিল শুধু একটা যায়গায় বুঝতে পারলাম না, “থরহুট করে পৃথিবীতে চলে আসলো কিভাবে, যেখানেথর দেখানো হয়েছে বাইফ্রস্ট ব্রিজ ভেঙ্গে যাওয়ায় পৃথিবীতে আসার তার সব রাস্তা বন্ধরবার্ট ডাউনি জুনিয়রএর অভিনয়েও আমার একটু খুত লেগেছে সেটনি স্টার্কশার্লক হোমসএই দুই চরিত্রকে এক সাথে গুলিয়ে ফেলেছেদ্য অ্যাভেঞ্জারস তবেআয়রন ম্যান তে সে আগের মতই ঠিক ছিল

যাই হোক, ২০০৮ সালেআয়রন ম্যানএর সাফল্যের পরমার্ভেলঘোষনা দেয় যে তারাদ্য অ্যাভেঞ্জারস২০১১ সালে মুক্তি দেবে, কিন্তু পরে রিলিজ ডেট এক বছর পিছিয়ে দেয়া হয় মুভিতেহাল্কচরিত্রেএডোয়ার্ট নরটনএর স্থানে অভিনয় করেমার্ক রুফালো আগেই বলেছিদ্য ইনক্রেডিবল হাল্কএর জন্য মেকারদের প্রথম পছন্দ ছিলমার্ক“, কিন্তু রোলটি পরে তার হাতছাড়া হয়ে যায়, তাই পর্বে মেকার এবংমার্ককেউ আর ২য়বার সুযোগ হাতছাড়া করেনিহাল্ককে নিয়ে পর্যন্ত যত মুভি টিভি সিরিজ তৈরী হয়েছে, তাতেহাল্কএর ভয়ংকর গলার ভয়েজ দিয়েছে আমেরিকান অ্যাক্টর/ফিটনেস ট্রেনার অবসরপ্রাপ্ত বডি বিল্ডারলু ফেরিগনো মুভিতেও সেই ভয়েজ দিয়েছে, তবে একমাএলোকিকে কাপড় ধোবার সেই বিখ্যাত দৃশ্যের পরহাল্কএর বলা বিখ্যাত “Puny God” ডায়লগটি ছিলমার্ক রুফালোএর নিজের অতঃপর ২২০ মিলিয়ন বাজেটেরদ্য অ্যাভেঞ্জারসডমেস্টিক বক্স অফিসে ৬২৩ মিলিয়ন এবং সারা বিশ্বে .৫১ বিলিয়ন আয় করে সর্বকালের সবচেয়ে বেশী আয় করা মুভির লিস্টেঅবতার” (.৭৮) এবংটাইটানিক” (.১৮) এর পর ৩য় স্থানে নাম লেখায়

অবশেষে আসা যাক পোস্ট ক্রেডিট সিনেএখানে দেখা যায় যে পৃথিবীর কাছে হেরে যাবার পরচিটুয়ারীসভ্যতার লিডার সিরিজের প্রধান ভিলেন “থানোস” চলেছে নতুন কোন পরিকল্পনা তৈরীতে যা জানতেদ্য অ্যাভেঞ্জারস পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে

iron_man_3_movie-wide

আয়রন ম্যান ” (২০১৩)

দ্য অ্যাভেঞ্জারসএর ঠিক পরের বছর মে তে এক নতুন ডার্ক থিম পাওয়ারফুল ভিলেন নিয়ে আবার ফিরে এলআয়রন ম্যানএর ৩য় পর্ব প্রথম দুই পর্বজন ফেবেরুডিরেক্ট করলেও এবারের পর্বের দায়িত্বে ছিলশেন ব্ল্যাক তবেটনি স্টাকএর বডিগার্ড শেফারের রোলটা বরাবরের মতজন ফেবেরু পালন করছে, যদিও মুভির ভাগের ভাগ সময় তার চরিত্রটি কাটিয়েছে হাসপাতালের বেডে যাই হোক, পর্বেটনি স্টার্ক” “দ্য অ্যাভেঞ্জারসএর ঘটনার পরপোস্ট ট্রমাটিক স্ট্রেস ডিসোর্ডার ভুগতে থাকে তার একাকীত্ব দূর করতে নিজের সুট নিয়ে একের পর এক এক্সপেরিমেন্ট করে পর্বটা এমন ভাবে বানানো হয়েছে যার সাথেআয়রন ম্যানআয়রন ম্যান এর কোন মিল খুজে পাওয়া যাবে না এখানেআয়রন ম্যানকমটনি স্টার্ককেই সশরীরে বেশী গুরুত্ব দেয়া হয়েছে তার মানবীক দিক গুলো প্রকাশ পেয়েছে, এটা মুভির একটি প্লাস পয়েন্টরবার্ট ডাউনি জুনিয়রপ্রথম দুই পর্ব দ্য অ্যাভেঞ্জারসএর থেকেও দুর্দান্ত অভিনয় করেছে পর্বে তার দাড়ির স্টাইলটাও পুরাই অসাম ছিল প্রথম দুই পর্বেজারভিসকে শুধু মাত্র মেশিন রূপে দেখানো হয়েছে টনিজারভিসএর মধ্যকার সম্পর্কটা অনেকটা মালিক কর্মচারীর মত প্রকাশ পেয়েছে, কিন্তু মুভিতেজারভিসকোন মেশিন নয় বরংটনি জীবনের একটি অংশ, সবথেকে বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু বিপদের একমাএ সহায়টনিজারভিসএর এই সম্পর্কটাই আমাকে সব থেকে বেশী নাড়া দিয়েছেআয়রন ম্যান এরওয়ার মেশিনএবারের পর্বে হয়ে গেছেআয়রন পেট্রিয়ট“, আর এই চরিত্রেডন চেডলবরাবরের মতইটনি বেস্ট ফ্রেন্ড বিপদের বন্ধু হিসেবে দারুন অভিনয় করেছেগোয়েনেথ প্যালট্রোএরপেপার পটসচরিত্রকে পর্বে অন্য পর্ব গুলোর তুলনায় একটু বেশী গুরুত্ব দেয়া হয়েছে, তবে শেষ অ্যাকশন দৃশ্যে তাকে নিয়ে টানাহেচড়া আমার কাছে ভাল লাগেনি এটা যেন একটা কমন বিষয় হয়ে দাড়িয়েছে যে হিরোকে মারতে গেলে হিরোইনকে নিয়েই সব সময় টানাটানি করতে হবে, আর অন্য কোন ওয়ে নেইমায়া হেনসনচরিত্রেরেবেকা হলমোটামুটি ছিল, কিন্তু আমার মতে মুভিতে চরিত্রটা না থাকলেও চলতোম্যান্ডারিনচরিত্রেবেন কিংসলেযেমন ভীতিকর রূপে আবির্ভূত হয়েছে তেমনিট্রেভর স্ল্যাটারীরূপে আমাদের বিনোদিতও করেছে আর সব শেষেঅল্ড্রিক কিলিয়ানচরিত্রেগাই পিয়ার্সপ্রথম দুই পর্বের তুলনায় সিরিজের সব থেকে মারাত্বক ভিলেনের ভুমিকায় অভিনয় করেছেগাই পিয়ার্সকে মুভিতে কোন অংশে একজন হিরোর থেকে কম মনে হয়নি তবে আমার মতেম্যান্ডারিনচরিত্রটার সাথে মোটেও সুবিচার করা হয়নিম্যান্ডারিনহলআয়রন ম্যানসিরিজের অন্যতম এক সেরা ভিলেন, অথচ এই চরিত্রটাকে খুব গুরুত্বের সাথে শুরু করে শেষে এসে একদম মাঠে মেরে দিয়েছে এটা মোটেও উচিত হয়নিএক্সট্রিমিসথিউরীটা খুব বিধ্বংসী অতিরঞ্জিত করে দেখানো হয়েছে যেটা বাস্তবের সাথে খাপ খাওয়ানো মুশকিল তবে এবারের পর্বের সব থেকে আকর্ষনীয় দিক হল সুটের উপরটনি অটো কন্ট্রোল, সুট ট্রান্সফরমেশন অভাবনীয় লাস্ট অ্যাকশন সিক্যুয়েন্স সত্যিইআয়রন ম্যানযত পর্ব আসছে, সায়েন্সের একেকটা দরজা আমাদের চোখের সামনে খুলে যাচ্ছে গল্পের কথা যদি বলতে হয়, আমার কাছে একটা বিষয় ভাল লাগেনি যে এবারের ভিলেনও ২য় পর্বের মতটনি পূর্ব শত্রু যে প্রতিশোধ নিতে চায় এখানে পুরানো কাসুন্দি না ঘেটে একটু নতুন কনসেপ্ট আনা যেত এছাড়া বাকি সব ঠিক ছিল, তবে মুভির শেষ দিকেপেপারএর শরীরে যেএক্সট্রিমিসপ্রয়োগ করা হয়েছে, পরবর্তিতে তার কি প্রতিকার করা হল এবংটনিযে তার বডি থেকেশার্পনেলআর্ক রিয়াক্টরটা সার্জারীর দ্বারা অপসারণ করলো, এখন সেআর্ক রিয়াক্টরছাড়া বেঁচে থাকবে কিভাবে ? ওইটাই তো তার হার্টে তার সুটে শক্তি জোগায় এই বিষয়টা আমার কাছে ক্লিয়ার হল না যাই হোক, ২০০ মিলিয়ন বাজেটের এই মুভি ডমেস্টিক বক্স অফিসে ৪০৩ মিলিয়ন সারা বিশ্বে .২১ বিলিয়ন আয় করে সর্ব কালের সব চেয়ে বেশী আয় করা মুভির লিস্টেঅবতার“, “টাইটানিক“, “দ্য অ্যাভেঞ্জারস“, “হ্যারি পটার এন্ড দ্য ডেথলি হ্যালোজ পার্ট ” (.৩৪) এর পর ৫ম স্থানে জায়গা করে নিয়েছে

  মুভির পোস্ট ক্রেডিট সিনে আহামরি কোন কিছুই নেই, জাস্ট ফরমালিটি পালনের জন্য পোস্ট ক্রেডিট সিন দেয়া উচিত বলেই দেয়া হয়েছে এখানে দেখানো হয় যে এই. ব্রুস ব্যানারএর কাছে সাইকো থেরাপী নিতে এসেটনি স্টার্কগোটা মুভিতে যা যা ঘটলো তার সব কিছু চোখ বন্ধ করে বলে যাচ্ছে আর এই সুযোগে. ব্যানারঘুমাচ্ছে

 

 

 

36519-thor_the_dark_world_wallpaper

থরদ্য ডার্ক ওয়ার্ল্ড” (২০১৩)

আয়রন ম্যান রিলিজের ঠিক মাস পর একই বছর নভেম্বর মুক্তি পেলথরসিরিজের ২য় মুভি দ্য অ্যাভেঞ্জারসএর সিক্যুয়ালথরদ্য ডার্ক ওয়ার্ল্ড মুভির কাহিনী টান দেয়া হয়েছে অতীতের এক ঘটনা থেকে যখনওডিনএর বাবাবোরক্ষমতায় ছিল, সেই সময়ম্যালেকিথনামক এক এলফ গোটা ইউনিভার্স ধ্বংস করার প্রচেষ্টা চালায়ইথারনামক এক ভয়াবহ অস্ত্রের দ্বারা, কিন্তুবোরএর সাথে যুদ্ধে পরাজিত হয়েম্যালেকিথতার দল নিয়ে পালিয়ে যায় ইথারচলে আসেবোরএর কব্জায় পরবর্তিতেবোরএইইথারএমন এক স্থানে লুকিয়ে ফেলে যেখানে কখনো কারো পৌছানো সম্ভব হবে না পরবর্তিতেজেন ফস্টারএর হাতে এইইথারএর পুনরায় সন্ধান লাভ, “ম্যালেকিথএর প্রত্যাবর্তন, অ্যাসগার্ড আক্রমণ ইথারহস্তগত পূর্বক ইউনিভার্স পুনরায় ডার্ক ওয়ার্ল্ডে পরিনত করার চেষ্টা এবং ইউনিভার্স বাঁচাতে ইথারধ্বংস করতেওডিনএর বিপক্ষে গিয়ে অ্যাসগার্ডের সব নিয়মকানুন ভেঙ্গেলোকিকে কয়েদখানা থেকে ছাড়িয়েথরনেমে পড়ে এক অসম্ভব যাত্রায়লোকিজেন ফস্টারকে সাথে নিয়ে ডার্ক ওয়ার্ল্ডের পথে, যে পথ একমাএলোকিছাড়া আর কেউ জানে না তাই, নিরূপায় হয়ে জোর করে হলেওলোকি উপরথরএর বিশ্বাস রাখতে হয় কারণ নিজের প্রিয়তমার জীবন বাঁচাতে অ্যাসগার্ড এবং ইউনিভার্সের ভবিষ্যত রক্ষার্থে একমাএলোকি সাহায্যই পারেথরকে জয়যুক্ত করতে আর এদিকে অ্যাসগার্ড, ইউনিভার্স জেন কাউকে নিয়েইলোকি কোন মাথা ব্যথা নেই, তবুওলোকিচলেছেথরকে সাহায্য করতে শুধুমাএ তার একটি বিশেষ উদেশ্য পূরণ ম্যালেকিথএর উপর প্রতিশোধ নেবার জন্য ব্যস, আর কিছু বলবো না, তাহলে একটু বেশীই স্পইলার হয়ে যাবে মূলত মুভির প্রধান কেন্দ্রবিন্দু নাথর“, নাজেন“, না অন্য কেউ সে হল একমাএলোকি কিন্তু এইলোকিসেইলোকিনয় যাকে আমরাদ্য অ্যাভেঞ্জারস দেখেছি পর্বেরলোকিকে না পারা যাবে বিশ্বাস করে কাছে টেনে নেয়া কিংবা ঘৃণা করে দূরে সরিয়ে দেয়া মুভির সব থেকে বড় প্লাস পয়েন্ট হলথরলোকি একসাথে যাত্রা এখানেলোকি ছোট ছোট কৌতু্ক আপনাকে হাসাবে আবারথরলোকি পরস্পর আবেগঘন কথোপকথন আপনাকে নতুন করে ভাবাবে এবং সর্বোপরিলোকি পরিনতি আপনাকে ইমোশনাল করে তুলবে তবে মনে রাখবেন, মুভিতে আপনার জন্য অনেক চমক অপেক্ষা করে আছে এবং মুভির শেষ চালটা কিন্তুলোকি দিবে যাই হোক, “লোকিচরিত্রেটম হিডেলস্টনঅভিনয়ের দিক থেকে অন্য সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেক্রিস হেমসওর্থবরাবরের মতইথরহিসেবে অসাধারণ ছিলনাটালি পোর্টম্যান” “জেন ফস্টারচরিত্রে মোটামুটি ছিল আমার কাছেঅ্যানথনি হপকিন্সনাটালি পোর্টম্যানকে প্রথম পর্বের তুলনায় মুভিতে তেমন ভাল লাগেনি. এরিক সেলভিগচরিত্রটাও একটু বাজে ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, যেটা আমার কাছে ভাল লাগেনি কাহিনীটাও সব মিলিয়ে প্রথম পর্বের তুলনায় বেশ দুর্বল লেগেছে তবে ডার্ক ওয়ার্ল্ডের গ্রাফিক্স এবং শেষ অ্যাকশন সিক্যুয়েন্স গুলো পুরাই মাথা নষ্ট করার মত ছিল যা অনেক ভাল লেগেছে যাই হোক, ১৭০ মিলিয়ন বাজেটেরথরদ্য ডার্ক ওয়ার্ল্ডডমেস্টিক বক্স অফিসে ২০৬ মিলিয়ন এবং সারা বিশ্বে ৬৪৪ মিলিয়ন আয় করে এরই মধ্যে পরিণত হয়েছে ব্লকবাস্টারে

মুভির পোস্ট ক্রেডিট সিনটাআয়রন ম্যান এর মতই একটু ঘোলাটে জটিল এই সিনে সম্ভবতথর সম্পর্কে কিছু না কিছু ইঙ্গিত দেয়া হয়েছেএখানে দেখানো হয় যে “ইথার” নিয়ে এত কান্ড, তা “কালেক্টর” নামক এক নতুন চরিত্রের হাতে তুলে দেয়া হয় যেন “ইথার” নিরাপদে থাকে, কিন্তু পরক্ষণেই “কালেক্টর” এর আচরণ ও কথা শুনে একটা ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে ভবিষ্যতে সে কোন ষড়যন্ত্র করার পরিকল্পনা করছে।

The End… !!!

(Visited 378 time, 1 visit today)

এই পোস্টটিতে ৩ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. রিফাত আহমেদ রিফাত আহমেদ says:

    দারুণ একটা ধারাবাহিক লেখা

  2. পথের পাঁচালি পথের পাঁচালি says:

    যথারীতি এই লেখাটাও ভালো হয়েছে।

  3. অভি says:

    খুবই ভালো একটা লেখা……………কিন্তু অবাক লাগলো আপনার পোস্ট ক্রেডিট সিনটা কেনো অর্থবহ মনে হয় নি……… চিটুয়ারী লিডারতো থ্যানোস দ্যা গ্রেটের সাথে কথা বলছিলো ! হ্যা, থ্যানোস !!! আমরা ভাইরা এই সিনটা দেখে পাগলের মত চেচিয়েছিলাম। গার্ডিয়ান অফ দ্যা গ্যালাক্সি আসছে আমরা তখনই শিওর ছিলাম 🙂 থ্যানোস মার্ভেল ফেজ থ্রি- কে এগিয়ে নিতেও ব্যাপক সাহায্য করবে কারণ থর প্রথম পর্বে ইনিফিনিটি গান্টলেটকে দেখিয়েছে যার মাইন্ড জেমটাই হ্যালিক্যারিয়ারে এভেঞ্জারদের মধ্যে ঝগড়া সৃষ্টির কারণ, আর থ্যানোসের আসল লক্ষ্যই হলো ৬ টাজেম সহ ইনফিনিটি গান্টলেটের অথিকার আদায় 🙂 সবচেয়ে মজার ব্যাপার হলো, থ্যানোসের ইনিফিনিটি গান্টলেট কোয়েস্টের সাথে ডঃ স্টিফেন স্ট্রেঞ্জ (ক্যাপ্টেন আমেরিকা-২ এ ছাদে হাইড্রার কর্মচারী লোকটাকে জিজ্ঞাসাবাদের সময় তার কথা উল্লেখ করা হয়েছে) এর নামও জড়িয়ে। তাই এই পোস্ট ক্রেডিট সিনটা আক্ষরিক অর্থেই আমাদের মার্ভেল ফেজ-৩ সম্পর্কে অনুমান করার সুযোগ দিচ্ছে। যাই হোক, খুব ভালো লাগলো লেখাটা, আরো লেখার অপেক্ষায় রইলাম, ধন্যবাদ………হানডোলা 🙂

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন