জাপানিজ মুভি রিভিউ: L-DK
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

193774fab8d0643354fdbd9049c2434b9d17e550d486b

জাপানের প্রখ্যাত উপন্যাসিক আয়ু ওয়াটানাবের রোম্যান্টিক উপন্যাস L-DK প্রথম প্রকাশিত হয় জাপানের জনপ্রিয় ম্যাগাজিন ‘বেসাতু ফ্রেন্ড’-এ। পরবর্তীতে বই আকারে প্রকাশিত হয় ২০০৯ সালের দিকে। জাপানে জনপ্রিয়তা পাওয়ার পর আমেরিকায় এটি কমিকস হিসেবে প্রকাশিত হয়। তবে আজকের আলোচনা উপন্যাস কিংবা কমিকস নিয়ে নয়, উপন্যাস থেকে নির্মিত মুভি নিয়ে আলোচনা।

পরিচালক ইউশিহিরু কাওয়ামুরার পরিচালিত ছবির কাহিনী আবর্তিত হয় হাইস্কুলের রাজপুত্র টাইটেল পাওয়া সুদর্শন শুষেই কাগায়ামাকে ঘিরে, যে কিনা তার স্কুলে অনেক জনপ্রিয় এবং সব মেয়েরা তার উপর ক্রাশ খায়। কিন্তু কাউকে পাত্তা দেয়না শুষেই। একদিন স্কুলেরই এক মেয়ে মই শিবুয়া শুষেইকে প্রপোজ করে বসে। কিন্তু প্রতিবারের মত এবারো পাত্তা দেয়না শুষেই। মই শিবুয়ার প্রস্তাবে সাড়া না দেওয়ায় মইয়ের বেষ্ট ফ্রেন্ড আই নিশিমরি শুষেইয়ের কাছে সাড়া না দেওয়ার কারণ জানতে চায়। এক সময় ব্যাপারটা হাতাহাতির পর্যায়ে চলে গেলে আই শুষেইকে ধাক্কা দেয়, পরিনামে শুষেই সিঁড়ি দিয়ে পড়ে কিছুটা আঘাতপ্রাপ্ত হয়। চক্ষু লজ্জার ভয়ে আই শুশেইকে তার বাসায় পৌঁছে দেয়। শুষেইয়ের জন্য রান্নাও করে আই। কিন্তু রান্নাঘরে আগুনের এক্সিডেন্টের কারণে শুষেইয়ের সম্পূর্ণ ফ্ল্যাট ক্ষতিগ্রস্থ হয় যেটা ঠিক করতে এক মাসের মত সময় লাগবে। শুষেই ঠিক করে এই এক মাস সে আইয়ের ফ্ল্যাটে থাকবে। আই প্রথমে গড়িমসি করলেও পরে রাজী হয় কারণ শুষেইয়ের ফ্ল্যাটের বারোটা বাজার জন্য আই দায়ী ছিল, তাই কিছু বলারও ছিল না আইয়ের। এক সাথে ফ্ল্যাটে থাকতে থাকতে আই শুষেইয়ের উপর দুর্বল হয়ে পড়ে। কিন্তু কাহিনী মোড় নেয় অন্যদিকে। আর টুইস্টটা কি জানতে হলে দেখতে হবে L-DK.

২০১৪ সালের ১২ এপ্রিল মুক্তি পাওয়া ছবিটি সম্পূর্ণ নিখাদ মিষ্টি প্রেমের ছবি। অবশ্য পরিচালক ইউশিহিরু কাওয়ামুরা বরাবরই প্রেমের ছবি নির্মাণ করে থাকে। তার পরিচালিত অন্যান্য জনপ্রিয় রোম্যান্টিক মুভির মধ্যে রয়েছে Girl’s Step, Princes Jellyfish, Akko-Chan প্রভৃতি। ছবির দৃশ্যায়ন এবং সঙ্গীতায়জনও অসাধারণ লেগেছে।

১১৩ মিনিট ব্যাপ্তি ছবিটির চিত্রনাট্য লিখেছেন ইউকো মাতসুদা।

এই পোস্টটিতে ১টি মন্তব্য করা হয়েছে

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন