Revenge (2017)—নতুন রূপে রেইপ–রিভেঞ্জ থ্রিলার

রেইপ–রিভেঞ্জ থ্রিলার জঁনরা—এত বেশীই সিনেমা হয়েছে যে নতুনত্ব খুঁজতে যাওয়াটাই এক প্রকার বোকামি। উইথ দ্যাট বিইঙ সেইড—Revenge সিনেমাটি এই ঘরানাতে অলংকারের ভূমিকা নিয়েছে। খুবই পরিচিত এই এক্সপ্লয়টেইশন প্লটকে পুঁজি করেই পরিচালক তার ডেব্যু ফিল্মে নিজস্বতার স্বাক্ষর রেখেছেন—উনি থাকছেন।

রিভেঞ্জ–এর গল্প I spit on your grave–সিনেমার ছকেই আঁকা। কেন্দ্রীয় চরিত্রের সিনেমার শুরুতেই ধর্ষণ, এ্যাটেম্পটেড মার্ডার—এমনকি প্রটাগনিস্টের নামটা পর্যন্ত “জেন”! সম্ভবত তাই উল্লেখ করা প্রয়োজন যে বিশেষত্বটা গল্পে নয় বরং এর এক্‌সিকিউশনে। গল্প বলিয়েটা, তার পেইসিংটা, উইকেড হিউমরের ব্যবহারটা একে অন্যান্য হাই–এন্ড এক্সট্রিম ফ্রেঞ্চ হরর ফিল্ম যথাঃ High tension, Martyrs এর কাছাকাছি পৌঁছে দেবার প্রয়াস পেয়েছে।

সুতরাং এটাও বলাই বাহুল্য যে সিনেমাতে প্রচুর রক্তারক্তি, গা গুলানো, বমি হয়ে যাবার মত দৃশ্যের ছড়াছড়ি থাকবে। রক্তের বন্যা—কথাটার একটা সার্থক ভিজ্যুয়ালাইজেশন বলা যায়!

আবহসঙ্গীত এ সিনেমার প্রাণ। ইলেক্ট্রো মিউজিকের দুর্দান্ত প্রয়োগে সাইকেডেলিক আবহটা অবিশ্বাস্য রকম ভালো করে উঠে এসেছে। পাশাপাশি মরুভূমির কিছু সিনিক শট চোখ জুড়ানোর মত।

আরোপিত ফেমিনিস্ট স্টেটমেন্ট ভালো লাগেনি, না থাকলে খুব একটা ক্ষতিবৃদ্ধি হোতো না।

(Visited 773 time, 1 visit today)

এই পোস্টটিতে ৫ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. মুভিটা মোটেও মনে ধরেনাই আমার। অতিমাত্রায় গাঁজাখুরি লাগছে আমার কাছে। মুভিটার ভুল গুলো ছিল চোখে পড়ার মত।

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন