I’m Not Scared (2003)—অসহায় জীবনের গল্প
Share on Facebook0Share on Google+0Tweet about this on TwitterPin on Pinterest0

যেদিকে দু’চোখ যায় শুধুই গমের ক্ষেত। গ্রীষ্মের নীল আকাশ যেখানে দিগন্ত ছুঁয়েছে সেখানেও। এরই মাঝে যে গ্রাম তার আঁকাবাঁকা রাস্তায় সাইকেল চালিয়ে হৈ-হুল্লোড় করে বেড়াচ্ছে পিচ্চিগুলো। প্রতিদিনই কোনো না কোনো খানা-খন্দ, গুহা খুঁজে বের করা চাই-ই চাই। এরকমই এক পড়ন্ত বিকেলে তারা চলে আসে এক পরিত্যাক্ত বাড়িতে।

 

মিকেল–এ গল্পের নায়ক এবং যার দৃষ্টিকোণ থেকে গল্প এগিয়ে চলছে–অপ্রত্যাশিতভাবে এই বাড়ির মাঝে এক লুকনো গর্ত আবিষ্কার করে যার মধ্যে একটা ছেলেকে বন্দী করে রাখা হয়েছে!

 

মিকেলের চোখে এখনো শিশুসুলভ সারল্য—কৈশোরের অদ্ভুত সব যুক্তি দিয়ে তার দুনিয়া সাজানো। এই আবিষ্কার তার কাছে অসামান্য কোন এক খেলনা থাকার সামিল, চূড়ান্ত গর্বের বিষয় যেন!

 

শিশুর ফিল্টার দেওয়া দৃষ্টিকোণ থেকে যেভাবে গল্প ক্রমশঃ এগিয়ে যায় তাতে পরিচালকের কোন তাড়াহুড়ো নজরে আসেনা। বুদ্ধিদীপ্ত উপায়ে জানিয়ে দেওয়া হয় যে একজন শিশুর পার্স্পেক্টিভে সময়ের হিসেবটা কীরকম মন্থর।

 

থ্রিলার ঘরানার ছবি হলেও “রোমাঞ্চকর” বিষয়টা ন্যারেটিভের পেইস থেকে উৎপাদন করা না বরং দর্শক দৈনন্দিন ঘটনাবলীর সমান্তরালে অনুভব করে শিহরণটা। কাইন্ড অফ সাইকোলজিক্যাল প্রেশার—আবহটাই মুখ্য।

 

স্কোর থেকে শুরু করে ব্যাকগ্রাউন্ড নয়েজ সবকিছুতেই শান্ত-ধীর একটা অকৃত্রিম অনুভূতি পোর্ট্রে করা হয়েছে। সবথেকে দুর্দান্ত হচ্ছে এর নৈসর্গিক দৃশ্যের ফ্রেমগুলো, প্রকৃতির সুজলা-সুফলা চোখ জুড়িয়ে যাবার মত মনোরম সব দৃশ্য।

 

সবমিলিয়ে সিনেমাটা চমৎকার, ব্যতিক্রমী অভিজ্ঞতার সঞ্চালক।

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন