The World is Big and Salvation Lurks Around the Corner (2008)—আত্মার সন্ধানে পরিত্রাণ

সিনেমায় এক ধরনের জাদু আছে। মানুষের জীবনকে খুব সহজেই প্রভাবিত করবার অসামান্য গুণ আছে এর। ব্যাখ্যাতীত নয় অবশ্যই কিন্তু আশ্চর্যজনক তো বটেই। শুধু যে জীবনমুখী সিনেমা–ই এই কাজ করে থাকে এমন কিন্তু মোটেও নয়।

 

এই যে বশীকরণ ক্ষমতা—এর সাথে মানুষের কগনিটিভ বায়াসের কতটুকু সম্পর্ক তা আলোচনা সাপেক্ষ ব্যাপার। শুধু যদি বলা হয় সিনেমা রুঢ় জীবন থেকে মুক্তির মাধ্যম; কল্পনার জগতে নৈরাশা থেকে পরিত্রাণের উপায়—সেটা তো কিয়দংশ সত্য মাত্র। চলচ্চিত্র নির্মাতারা বহুকাল থেকেই একে ব্যবহার করে আসছেন মানুষকে আলোড়িত, শিক্ষিত, জাগ্রত, সচেতন করতে—যদিও তা ভিন্ন আলোচনার প্রসঙ্গ।

 

এই পোস্টে আলোচ্য সিনেমাটি বৃহদাংশেই ১ম ধারার মধ্যে পড়ে। যেখানে বাস্তবতা পর্যবেক্ষণ এবং সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই প্লজিবল মনে হবেনা। এবং এটাই এই সিনেমার সৌন্দর্য। সর্বজনীনভাবে সিনেমা, বিশেষ করে এটি দর্শককে অনুপ্রাণিত করে, জীবনকে আরেকটু সুযোগ দেয়, অধিকার দেয় উপভোগের। নিজেকে খোঁজার মধ্য দিয়ে দর্শককে আত্মোপলব্ধির দ্বোর গোড়ায় এনে দেয়।

 

কেন্দ্রীয় চরিত্র অ্যালেক্সের গাড়ি অ্যাক্‌সিডেণ্টে স্মৃতি হারানোর পর তার দাদুর সহায়তায় নিজেকে খোঁজার, বোঝার যে ওডীসি তার সহযাত্রী দর্শক। প্রকারান্তে, দর্শক নিজেই যেন অ্যালেক্সের জায়গায় ভ্রমণ করবে যুগোস্লোভিয়ার মনোমুগ্ধকর রাস্তায়—যেখানে ইউরোপের শেষ হয়েছে কিন্তু শুরুটা অধরা!

(Visited 233 time, 1 visit today)

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন