ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব [Dhaka International film festival, DIFF]

bnner-a

ত্রয়োদশ ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব শুরু হচ্ছে ১০ই জানুয়ারি থেকে । টানা নয়দিন ব্যাপী এ উৎসব শেষ হবে ১৮ তারিখে । উৎসবের আয়োজক রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদ । ভেন্যু হিসেবে থাকছে জাতীয় জাদুঘর ও পাবলিক লাইব্রেরি মিলনায়তন ।

২১ বছরের সংক্ষিপ্ত ব্যাপ্তিতে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ইতোপূর্বে ১২টি উৎসবের আয়োজন করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে । ১৯৯২ সাল থেকে এ উৎসবের কার্যক্রম শুরু হয়েছে । গত দ্বাদশ চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিয়েছিল বাংলাদেশ সহ ৫৫টি দেশের প্রায় ২০০টি সিনেমা ।

এবারের উৎসবে ৬১টি দেশের ১৮০টি চলচ্চিত্র অংশগ্রহণ করছে । সাতটি বিভাগে এ উৎসব উদযাপিত হবে । বিভাগগুলো হলঃ

> কম্পিটিশন সেকশনঃ এ বিভাগে এশিয়া ও অস্ট্রেলিয়ার ২৩টি ফিকশনাল চলচ্চিত্র অংশ নিচ্ছে । প্রতিযোগিতায় সেরা সিনেমার বিজয়ী চলচ্চিত্রকার নগদ এক লক্ষ টাকা পাবে । FIPRESCI [International Federation of Film Critics] তাদের পুরস্কার হিসেবে সনদ দেবে ।

> রেট্রোস্পেক্টিভঃ এ বিভাগে বিখ্যাত চলচ্চিত্রকারদের শিল্প-কর্মের প্রদর্শনী হবে । এবারের উৎসবে থাকছে ইরানের চলচ্চিত্রকার আসগর ফরহাদির চারটি চলচ্চিত্র এবং ফরাসি চলচ্চিত্রকার অলিভিয়ার আসায়েসের তিনটি চলচ্চিত্র ।

> সিনেমা অফ দ্য ওয়ার্ল্ডঃ যেকোন ফিচার ফিল্ম এ বিভাগের অন্তর্ভুক্ত । সাধারণ দর্শকের বিচারে একটি চলচ্চিত্র নির্বাচিত হবে । পুরস্কারস্বরূপ সনদ ও ক্রেস্ট দেওয়া হবে ।

> চিল্ড্রেন’স ফিল্ম ফেস্টিভ্যালঃ এ বিভাগে থাকছে ছয়টি শিশুতোষ চলচ্চিত্র । দর্শকের বিচারে একটি চলচ্চিত্রকে ‘বেস্ট জুভেনাইল বাদল রহমান অ্যাওয়ার্ড’-এ মনোনীত করা হবে ।

> শর্ট অ্যান্ড ইনডিপেন্ডেন্ট ফিল্মসঃ দ্বিতীয়বারের মতন DIFF এ ধরণের চলচ্চিত্র প্রদর্শন করবে । স্বাধীন চলচ্চিত্র নির্মাতাদের বিভিন্ন ধরণের চলচ্চিত্র এ বিভাগে যুক্ত করা হয়েছে ।

> উইমেন ফিল্মমেকারসঃ নারী চলচ্চিত্র নির্মাতাদের পূর্নদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র মনোনয়নের সাথে সাথে স্বল্প-দৈর্ঘ্য এবং তথ্যচিত্র ভিত্তিক চলচ্চিত্রও এ বিভাগে দেখানো হবে । এ বিভাগে থাকছে বিভিন্ন দেশ থেকে অংশ নেওয়া ৪১টি চলচ্চিত্র ।

> স্পিরিচুয়াল ফিল্মস সেকশনঃ ধর্ম বিশ্বাস ও আধ্যাত্মিকতার উপরে প্রকাশ্য আলোচনাকে অগ্রসর করার লক্ষ্যে এই বিভাগটি উপস্থাপন করা হয়েছে । মূল ধারণাটা হচ্ছে, আধ্যাত্মিকতার মূল পরিচয়ের সাথে মৌলবাদী ধর্মবিশ্বাসের অপব্যবহারের পার্থক্যটা দর্শকের জন্য উন্মুক্ত করা ।

“ভালো চলচ্চিত্র, ভালো দর্শক, ভালো সমাজ” হল আয়োজক প্রতিষ্ঠান রেইনবো চলচ্চিত্র সংসদের মূলমন্ত্র । এ মন্ত্রে দীক্ষিত হয়ে ১৯৭৭ সালে পথচলা শুরু করলেও উৎসব আকারে চলচ্চিত্র প্রদর্শন শুরু করে ১৯৯২ সাল থেকে ।

এবারের উৎসবে চলচ্চিত্র প্রদর্শনের পাশাপাশি তরুণ নির্মাতাদের জন্য কর্মশালার ব্যবস্থা থাকছে । বর্তমানের চলচ্চিত্র বিপ্লবকে আরো এক ধাপ এগিয়ে আনতে তাই চতুর্থবারের মতন আয়োজন করা হচ্ছে এই কর্মশালা । সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে থাকছে ইউনিভার্সিটি অফ লিবারেল আর্টস বাংলাদেশ, [ULAB] । জানুয়ারির ১২ থেকে ১৭ তারিখ পর্যন্ত ছয়দিন ব্যাপী এ কর্মশালা আয়োজিত হচ্ছে ULAB-এর ক্যাম্পাসে ।

এগুলো ছাড়াও উৎসবে থাকবে চলচ্চিত্র নিয়ে আন্তর্জাতিক সেমিনার এবং বিশ্বের নামী চলচ্চিত্রকারদের মুখোমুখি হওয়ার সুযোগ । উৎসব উপলক্ষে ঢাকায় আসছেন বিভিন্ন দেশের অর্ধশতাধিক চলচ্চিত্র ব্যক্তিত্ব ।

উৎসবের অফিসিয়াল এন্ট্রি দেখুন এখানে ক্লিক দিয়ে ।  স্ক্রিনিং শিডিউল দেখুন এখানে । জুরি বোর্ড এর ব্যাপারে জানুন এখান থেকে । 

 

তথ্যসুত্র___ঢাকা ফিল্ম ফেস্ট, রেইনবো ফিল্ম সোসাইটি, প্রথম আলো, অন্তর্জাল ।

(Visited 30 time, 1 visit today)

এই পোস্টটিতে ৫ টি মন্তব্য করা হয়েছে

  1. সামিয়া রুপন্তি says:

    সিডিঊল দেয় নাই আদ্রে ভাই? চান্স থাকলে যাইতাম দেখতে………………………

  2. পথের পাঁচালি পথের পাঁচালি says:

    স্কেজুয়েল জানতে পারলে একটু ইনফর্ম কর প্লিজ। শিশুতোষ মুভিগুলো দেখার ইচ্ছে হচ্ছে।

  3. অনিক চৌধুরী says:

    দেখতে যাওয়ার ইচ্ছে আছে খুব।

  4. ENAMUL KHAN says:

    ঢাকা থেকে অনেক দুরে……দেখা ইচ্ছে থাকলেও হবে না…

  5. মিজানুর রহমান মিজানুর রহমান says:

    দেখতে যাওয়ার ইচ্ছে ছিল :hoax2 খুব।হল না :hoax2

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন