সুভাষ দত্তকে শেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি

সুভাস দত্তকে নিয়ে শৈবাল দার একটি লেখা এখানে শেয়ার করলাম। শৈবাল দা চট্টগ্রাম চলচ্চিত্র কেন্দ্রের পরিচালক। স্থানীয় পত্রিকায় লেখাটি প্রাকাশিত হয়েছে। ওনার  লেখা শেয়ার করার অনুমতি অনেক আগেই নিয়ে রেখেছিলাম..

সুভাষ দত্তকে শেষ শ্রদ্ধাঞ্জলি
শৈবাল চৌধুরী

আমাদের শৈশবে বিনোদন বলতে ছিল দুটি জিনিস। সিনেমা দেখা, অপরটি আত্মীয়-স্বজনের বাসায় বেড়াতে যাওয়া। দুটোরই নেপথ্যে ছিল সামাজিক সংযোগ। সিনেমা দেখাটা ছিল রীতিমত পারিবারিক আয়োজন। পুরুষেরা একাকী দেখে এলেও বাড়ীর মহিলারা, শাশুড়ী, বৌ, ননদ-ভাবী এবং কিশোর সদস্যরা দল বেঁধে সিনেমা দেখতে যেতেন। দেখে এসে সে-দেখার অভিজ্ঞতার রেশ চলতো নানাভাবে আরো ক’দিন। এসব ১৯৬০ এর দ্বিতীয়ভাগের কথা বলছি।
তখন ভারতীয় বাংলা হিন্দি ছবি আসা বন্ধ। মূলতঃ বাংলা ছবিই দেখতে যেতেন বাড়ির মহিলারা। এ সময় মা-কাকীদের মুখে অন্যান্য নায়ক-নায়িকাদের নামের সাথে সাথে একটি নাম বেশ আহ্লাদের সাথে উচ্চারিত হতে দেখতাম, সুভাষ দত্ত। এদের কাছে ‘সুভাষ দত্তের বই’ দেখতে যাওয়াটা ছিল বিশেষ এক আনন্দের ঘটনা। একটা বিষয় এখন বুঝতে পারি, উনারা অন্য পরিচালক নিয়ে মাথা ঘামাতেন না, হয়তো বা জানতেনও না, নায়ক-নায়িকা কিংবা ছবি সম্পর্কে জেনে সিনেমা দেখতে যেতেন, কিন্তু ‘পরিচালক সুভাষ দত্ত’ তাদের কাছে রীতিমত স্টার ছিলেন। ব্যক্তিগত এসব অভিজ্ঞতা একান্তই ব্যক্তিগত কিছু নয়। সে সময়ের পুরো দেশেরই ছিল একই চিত্র। সুভাষ দত্তের এরকমই গ্রহণযোগ্যতা গড়ে উঠেছিল যাকে নিছক জনপ্রিয়তা বললে ভুল করা হবে।
গত ১৬ নভেম্বর সকালে তিনি চলে গেলেন। আগের দিনই দৈনিক প্রথম আলোর বিনোদন পাতায় পড়েছিলাম, ২৫ তারিখে তাঁর ছবিগুলোর স্থিরচিত্র নিয়ে ঢাকা দৃক গ্যালারীতে একটি প্রদর্শনীর উদ্বোধন হবে। তিনি থাকবেন সেখানে। বার্ধক্যজনিত অসুবিধা থাকলেও তিনি ভালোই আছেন জেনেছিলাম সেই প্রতিবেদনে। কিন্তু পরদিন সকালেই এরকম একটি মর্মান্তিক খবর শুনতে হবে এটা ছিল ভাবনার অতীত। মৃত্যুর কোনো বিশ্বাস নেই জেনেও এসব ঘটনা মেনে নেয়া কষ্টকর। তারপরেও স্বস্তি, তিনি সুস্থ অবস্থাতে হঠাৎ করে চলে গেছেন দীর্ঘ কোনো পীড়ায় না ভুগে। (তার জন্ম ১৯৩০ সালে ৯ ফেব্রুয়ারি দিনাজপুরে)।
তবে কয়েকটি অতৃপ্তি নিয়ে সুভাষ দত্ত বিদায় নিয়েছেন। ‘দ্বারা দিয়া কর্তৃক’ নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন। সরকারি অনুদান তাঁর নামে এ ছবির জন্যে বরাদ্দ করেও পরে সেটা বাতিল করা হয়। অভিমানবশত তিনি এই পরিকল্পনা পরিত্যাগ করেন। ‘সুতরাং’ ছবিটি রঙিন করে পুনর্নির্মাণ করতে চেয়েছিলেন। শেষ অতৃপ্তি ‘বেগম রোকেয়া’ ছবিটি তিনি অনুদান পেয়েও শেষপর্যন্ত রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে বানাতে পারেন নি। ছবিটির মহরতও হয়েছিল। পরে সরকারি তরফেই ছবিটি বন্ধ করা হয়।
এসব কথা আমি তাঁর কাছ থেকেই জেনেছি। চট্টগ্রাম রামকৃষ্ণ মিশনে ১৯৯৯ সালে তাঁর সাথে দীর্ঘক্ষণ আলাপের সুযোগ পেয়েছিলাম। ‘বেগম রোকেয়া’র চিত্রনাট্য নিয়েও তিনি সেদিন অনেক কথা বলেছিলেন। বলেছিলেন, নবাগতদের নিয়ে কাজ করতে তাঁর বরাবরই ভালো লাগে। বাংলাদেশের চলচ্চিত্রকে তিনি উপহার দিয়েছেন অনেক শিল্পী-কলাকুশলী, কবরী, সুচন্দা, শর্মিলি আহমেদ, সবিতা, পল্লবী, আহমেদ শরীফ, বেবী জামান, উজ্জ্বল, ইলিয়াস কাঞ্চন সুভাষ দত্তের আবিষ্কার। তিনি আবিষ্কার করেছেন সুরকার সত্য সাহা, গীতিকার গাজী মাযহারুল আনোয়ারকে। এরকমের আরো অনেক উদাহরণ রয়েছে। তাঁর ছিল জহুরীর চোখ।

সুভাস দত্তের ”সুতরাং” ছবির পোস্টার।

সুভাষ দত্তের চলচ্চিত্রে আগমন বিজ্ঞাপনে কাজ করার সূত্রে। তবে তাঁর ক্যারিয়ার গড়ে উঠেছিল নানাভাবে। এক ধাপে কিছু হয়নি। কমার্শিয়াল আর্টিস্ট থেকে শিল্প নির্দেশক, অভিনেতা, পরিচালক হয়ে প্রযোজক পর্যন্ত এক দীর্ঘ সফর। ১৯৫১ সালে মুম্বাইতে সিনেমার পাবলিসিটি ডিজাইনার হিসেবে তাঁর কাজের শুরু। এরপর দেশে ফিরে এসে ১৯৫৩ সালে ঢাকার বিজ্ঞাপনী সংস্থা এভারগ্রীনে যোগ দেন সিনেমার পোস্টার ও ব্যানার শিল্পী হিসেবে। পোস্টার ও ব্যানার অংকনে তাঁর দক্ষতা ছিল সুবিদিত। তিনি যখন পরিচালক হিসেবে তুঙ্গে সেই সময়ও আলমগীর কবিরের ‘সূর্যকন্যা’ ও ‘রূপালী সৈকতে’ ছবির জন্যে পোস্টার এঁকে দিয়েছেন। এই কাজের প্রতি তাঁর একটু দুর্বলতা ছিল। ১৯৫৬ সালে মুখ ও মুখোশ থেকে ১৯৬২ পর্যন্ত নিয়মিতভাবে অনেক ছবির পোস্টার এঁকেছেন তিনি, অথচ এসময় অভিনেতা হিসেবে তিনি যথেষ্ট জনপ্রিয়।
১৯৫৯ সালে মহিউদ্দিনের ‘মাটির পাহাড়’ ছবিতে তিনি কাজ করেন সহকারী শিল্প-নির্দেশকরূপে। এরপর আরো কয়েকটি ছবিতে শিল্প নির্দেশনার কাজ করেছেন তিনি। অভিনেতা সুভাষ দত্তকে আবিষ্কার করেন পরিচালক এহতেশাম। ১৯৫৯ সালে এহতেশামের ‘এদেশ তোমার আমার’ ছবিতে অভিনেতা সুভাষ দত্তের আত্মপ্রকাশ খলচরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে। এই ধারা তাঁর অব্যাহত ছিল পরিণত বয়স পর্যন্ত। শেষ বয়সে কয়েকটি টিভি নাটকেও তিনি অভিনয় করেছেন। নেগেটিভ পজেটিভ বিভিন্ন চরিত্রে একই সময়ে দক্ষতার সাথে তিনি অভিনয় করে গেছেন। অভিনয় করেছেন মৃণাল সেনের ‘কলকাতা-৭১’ ছবিতেও। ১৯৭১ সালে কলকাতায় আরো কয়েকটি ছবিতে তিনি অভিনয় করেন। তাঁর অভিনীত ছবির সংখ্যা বাংলা-উর্দু মিলে অর্ধশত। উল্লেখযোগ্য, নদী ও নারী, রাজধানীর বুকে, সূর্য স্নান, তালাশ, সুতরাং, বিনিময়, চান্দা, কাগজের নৌকা, আবির্ভাব, মিলন, পয়সে, আয়না ও অবশিষ্ট। তিনি যখন সুতরাং ছবিতে নায়ক চরিত্রে অভিনয়ে উদ্যোগী হন সবাই হাসাহাসি করেছিলেন, কেননা তিনি তখন কৌতুকাভিনেতা হিসেবে পরিচিত এবং শারীরিকভাবেও তিনি খানিকটা খর্ব ও কৃশকায়। এই ইমেজ ভেঙে রোমান্টিক নায়ক চরিত্রে তিনি সফল হয়েছিলেন স্রেফ অভিনয় ক্ষমতার জোরে। নায়ক হিসেবে তিনি তারপরও অভিনয় করেছেন পালাবদল ও আলিঙ্গন ছবিতে সফলভাবে।

”বিনিময়” ছবির পোস্টার।

‘সুতরাং’, ১৯৬৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত সুভাষ দত্তের প্রথম পরিচালিত চলচ্চিত্র, নানাভাবে এদেশের চলচ্চিত্র জগতে একটি কিংবদন্তী। অনেক ক্ষেত্রে পথিকৃৎ। ‘সুতরাং’ এদেশের প্রথম ছবি যেটি ১৯৬৫ সালে জার্মানীর দ্বিতীয় শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্রের পুরস্কার অর্জন ছবি। এর আগে বিদেশে পুরস্কৃত ছবি জাগো হুয়া সাভেরা মূলতঃ পাকিস্তানের পশ্চিমাংশের উদ্যোগে তৈরি এবং ছবিটি ছিল উর্দু। ‘সুতরাং’ কবরী ও বেবী জামান ও নায়ক সুভাষ দত্ত অভিনীত প্রথম ছবি। গায়ক সত্য সাহা এই ছবির মধ্যদিয়ে সুরকার ও সঙ্গীত পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। কবি সৈয়দ শামসুল হকও গীতিকার হিসেবে আবির্ভুত হন এই ছবির মাধ্যমে। ১৯৬৪ সালে এই ছবি তিন কোটি টাকা মুনাফা করেছিল। এখনকার হিসেবে তা কত হবে? বাংলাদেশের প্রথম বাণিজ্য-সফল ছবি এবং তা আশাতীতভাবে। এই ছবির চিত্রনাট্য ছিল অত্যন্ত গোছানো। সংলাপ পুরোপুরি বাস্তবধর্মী। সঙ্গীত অত্যন্ত মনোগ্রাহী। অভিনয় বাস্তবানুগ। সুন্দর লোকেশনে চিত্রায়িত। সুতরাং থেকে ডুমুরের ফুল (১৯৭৮) পর্যন্ত সুভাষ দত্ত নির্মিত ছবিগুলোতে এসব বৈশিষ্ট্য অব্যাহত ছিল। এসব ছবির আরো দুটি গুণ ছিল সুন্দর চিত্র গ্রহণ এবং দ্রুতিময় সম্পাদনা। অর্থাৎ চলচ্চিত্রকে উপাদানে বেশ সমৃদ্ধ থাকতো সুভাষ দত্তের ছবিগুলো। তিনি মূলতঃ মূলধারার চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন যাকে সাধারণভাবে ‘কমার্শিয়াল ফিল্ম’ বলে অভিহিত করা হয়। কিন্তু সুভাষ দত্তের ছবিগুলো আর দশটি মূলধারার ছবির মতো মোটেই ছিল না। তাঁর ছবিগুলো উপরিউক্ত বৈশিষ্ট্যে পরিপূর্ণ হয়ে শিল্পগুণ সমৃদ্ধি অর্জনে সক্ষম হয়েছিল। ফলে বাণিজ্যমনস্ক এবং শিল্পমনস্ক উভয় ধরনের দর্শক তাঁর ছবিগুলো পছন্দ করতেন। প্রকৃতপক্ষে মূলধারার ভালো ছবির এটাই বৈশিষ্ট্য- যা আমরা জহির রায়হান পরিচালিত ও প্রযোজিত ছবিগুলোতেও দেখতে পেতাম।

আবির্ভাব ছবির পোস্টার।

১৯৬৪ থেকে ১৯৭৮ পর্যন্ত ছিল সুভাষ দত্তের স্বর্ণযুগ। এ সময়ে তিনি তৈরি করেন সুতরাং (১৯৬৪), কাগজের নৌকা (১৯৬৬), আয়না ও অবশিষ্ট (১৯৬৭), আবির্ভাব (১৯৬৮), পালাবদল (১৯৬৯), বিনিময় (১৯৭০), অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী (১৯৭২), বলাকা মন (১৯৭৩), আকাঙ্ক্ষা (১৯৭৬), বসুন্ধরা (১৯৭৭) এবং ডুমুরের ফুল (১৯৭৮)।
কিন্তু এর পর থেকে কেন যেন তাঁর চলচ্চিত্র পূর্বের বৈশিষ্ট্য থেকে দূরে সরে যেতে থাকে। সকাল-সন্ধ্যা, সহধর্মিনী, এ ধরনের বেশক’টি অনুল্লেখ্য ছবি তিনি তাঁর এই শেষপর্যায়ে নির্মাণ করেছেন। অথচ বিপরীতটাইতো হওয়া উচিৎ ছিল। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তিনি একটিই ছবি নির্মাণ করেছেন, ‘অরুণোদয়ের অগ্নিসাক্ষী। ছবিটি মুক্তিযুদ্ধের অন্যান্য ছবিগুলো থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন। মুক্তিযুদ্ধকালীন শিল্পীদের সংকটের পাশাপাশি যুদ্ধের পর যুদ্ধ শিশুদের নিয়ে সমস্যার কথা অত্যন্ত সাহসিকতার সাথে এবং সুন্দর সমাধানের মাধ্যমে তুলে ধরতে পেরেছিলেন সুভাষ দত্ত। একজন ভালো চলচ্চিত্রকারের গুণ তার সঙ্গীতবোধ। সুভাষ দত্তের মিউজিক সেন্স ছিল অত্যন্ত প্রখর। তাঁর সবকটি ছবি এর প্রমাণ। ছবিগুলো দর্শক প্রিয় হবারও এটি একটি কারণ। প্রতিটি গান তৈরির সময় গীতিকার ও সুরকারের সাথে ছবির চিত্রনাট্য নিয়ে অনেকবার বসতেন এবং প্রতিটি গানের জন্য আলাদাভাবে চিত্রনাট্য রচনা করতেন।
অভিনেতা সুভাষ দত্তের অধ্যায়টিও বেশ ঋদ্ধ। উর্দু ও বাংলা ছবিতে সমান দক্ষতায় তিনি অভিনয় করেছেন, যদিও কোনো উর্দু ছবি তিনি তৈরি করেন নি। একই সময়ে তিনি খল চরিত্র, কৌতূক চরিত্র, সিরিয়াস চরিত্র এবং নায়ক চরিত্রে সমান দক্ষতায় অভিনয় করে গেছেন। এক চরিত্রের অভিনয়ের ইমেজ অন্য চরিত্রকে প্রভাবিত করতে পারেনি। ফলে একই সময়ে তিনি ভিলেন, নায়ক, চাকর, বড় ভাই, চাচা সব চরিত্রেই দর্শকদের কাছে সমাদৃত হতে পেরেছিলেন। তাঁর এই দর্শক সমাদর ১৯৭১ সালে পাকিস্তানি সেনাদের হাত থেকে তাঁকে রক্ষা করেছিল। পাকিস্তানের দুই অংশেই তিনি ছিলেন সমান জনপ্রিয় অভিনেতা।

সুভাষ দত্ত অভিনীত ”এদেশ তোমার আমার ”ছবির পোস্টার।

যে কজন মানুষের হাতে আমাদের ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি তিল তিল করে গড়ে উঠেছিল সুভাষ দত্ত তাদের অন্যতম। জীবনের শেষ দুই দশক কর্মক্ষম থাকলেও বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতের অরাজকতার কারণে দূরে সরে যেতে তিনি বাধ্য হয়েছিলেন। রাষ্ট্রীয় এবং বেসরকারি পর্যায়ে অনেকবার পুরস্কৃত হয়েছে সুভাষ দত্তের ছবি। সুতরাং, আবির্ভাব (কম্বোডিয়া) ও ডুমুরের ফুল (রাশিয়া) বিদেশে পুরস্কৃত। তিনি নিজেও জাতীয় সম্মান একুশে পদকে সম্মানিত। জীবদ্দশায় আপামর দর্শকের শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় অভিষিক্ত এই মহাশিল্পী, মৃত্যুর পরেও যথাযথ রাষ্ট্রীয় সম্মান পেয়েছেন। এটা যেমন শিল্পজগতের জন্যেও সম্মানীয়, তেমনি সাধারণ জনগণের কাছেও সমানভাবে প্রশংসিত। আমাদের আশা সুভাষ দত্তের ছবিগুলো আর্কাইভের মাধ্যমে যত্নের সাথে সংরক্ষিত হয়ে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে মাঝে মধ্যে দেখানো হবে এবং ডিভিডি প্রকাশিত হবে ছবিগুলোর, যাতে এই প্রজন্ম ছবিগুলো দেখে এই বড়মাপের শিল্পীকে চিনতে পারে, জানতে পারে।

(Visited 71 time, 1 visit today)

মন্তব্য করুনঃ

You must be Logged in to post comment.

ফেসবুকের মাধ্যমে মন্তব্য করুন